এটি একটি ছোট্ট ভালোবাসার প্রমান,,,, যা অবাক করে ফেলবে,,,,, গল্পের মেয়েটি একটু বেশি চঞ্চল । সে একটু বেশী মজা করতে ভালবাসে । আর ছেলেটি খুব শান্ত স্বভাব এর । সবকিছু নিয়ে খুব ই সিরিয়াস । ফান করা তেমন পছন্দ করে না । একদিন রাতে ছেলেটি মেয়েটির সাথে দেখা করতে গেল।তারা দেখা করার পর যখন বাড়ী ফিরছিল ! ঠিক তখন গাড়ীতে বসে ছেলেটিকে মেয়েটি বলল “আচ্ছা তুমি গাড়ী এত ধীরে চালাও কেন ?”

ছেলেটি বলল “যাতে কোন ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে” মেয়েটির তখন দুষ্টামি করতে ইচ্ছে করছিল। তখন মেয়েটি বলল ” তুমি কি সত্যি আমাকে ভালবাসো ? ” ছেলেটি বলল ” আজব তো এই কথা কেন জিজ্ঞেস করছো ? তুমি কি জানো না ?? ” : হ্যাঁ জানি , তবে আমি পরিক্ষা করতে চাই ! : কি পরিক্ষা ? : আমাকে কতটুকু ভালবাস ? : পরিক্ষা করার কি আছে আজব তো ? : তুমি কি পরিক্ষা দিবে নাকি আমি গাড়ি থেকে বের হয়ে যাবো ? : তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে ? : না আমি কখনো ই যাবো না , তবে আজ তুমি আমাকে বাধ্য করছো !

আচ্ছা ঠিক আছে কি পরিক্ষা ? : গাড়ীর গতি অনেক বাড়িয়ে আমাকে বলতে হবে যে তুমি আমাকে ভালবাসো : আজব তো এইটা কোন ধরনের পরিক্ষা ? : তুমি করবে নাকি না ? ** তার পর ছেলেটি গাড়ির গতি অনেক বাড়ীয়ে দেয় এবং বা দিক থেকে একটা ট্রাক এসে তাদের গাড়িতে ধাক্কা দেয় এবং তাদের খুবই বাজে ভাবে একসিডেন্ট হয় ** দীর্ঘ ১৮ মাস পর ছেলের স্মৃতি শক্তি ফিরে পায়। স্মৃতি ফেরার সাথে সাথে ছেলেটি মেয়েটির কথা জিজ্ঞেস করে ডাক্তার কে । ডাক্তার বলেন যে সেই দুর্ঘটনায় বা দিক থেকে আঘাত হয় আপনাদের গাড়িতে আর বা দিক এ বসা ছিল সেই মেয়েটি ।

ঘটনাস্থলেই মেয়েটি মারা যায় ।। ডাক্তার যখন এই কথা শেষ করে তখন ছেলেটির চোখ থেকে এক বিন্দু জল গড়িয়ে পড়ে আর সে বলে ” হয়নি বলা তোমায় আমি অনেক ভালবাসতাম তোমায় এখন কেন ছেড়ে গেলে আমায় ? ” _________ ।। মূল কথাঃ সবকিছু নিয়ে জেদ করা ঠিক না । অতিরিক্ত রাগ আর অতিরিক্ত জেদ এর কারোনে আপনি অনেক কিছু হারাতে পারেন ।
এটি একটি ছোট্ট ভালোবাসার প্রমান,,,, যা অবাক করে ফেলবে,,,,, গল্পের মেয়েটি একটু বেশি চঞ্চল । সে একটু বেশী মজা করতে ভালবাসে । আর ছেলেটি খুব শান্ত স্বভাব এর । সবকিছু নিয়ে খুব ই সিরিয়াস । ফান করা তেমন পছন্দ করে না । একদিন রাতে ছেলেটি মেয়েটির সাথে দেখা করতে গেল।তারা দেখা করার পর যখন বাড়ী ফিরছিল ! ঠিক তখন গাড়ীতে বসে ছেলেটিকে মেয়েটি বলল “আচ্ছা তুমি গাড়ী এত ধীরে চালাও কেন ?”

ছেলেটি বলল “যাতে কোন ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে” মেয়েটির তখন দুষ্টামি করতে ইচ্ছে করছিল। তখন মেয়েটি বলল ” তুমি কি সত্যি আমাকে ভালবাসো ? ” ছেলেটি বলল ” আজব তো এই কথা কেন জিজ্ঞেস করছো ? তুমি কি জানো না ?? ” : হ্যাঁ জানি , তবে আমি পরিক্ষা করতে চাই ! : কি পরিক্ষা ? : আমাকে কতটুকু ভালবাস ? : পরিক্ষা করার কি আছে আজব তো ? : তুমি কি পরিক্ষা দিবে নাকি আমি গাড়ি থেকে বের হয়ে যাবো ? : তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে ? : না আমি কখনো ই যাবো না , তবে আজ তুমি আমাকে বাধ্য করছো !

আচ্ছা ঠিক আছে কি পরিক্ষা ? : গাড়ীর গতি অনেক বাড়িয়ে আমাকে বলতে হবে যে তুমি আমাকে ভালবাসো : আজব তো এইটা কোন ধরনের পরিক্ষা ? : তুমি করবে নাকি না ? ** তার পর ছেলেটি গাড়ির গতি অনেক বাড়ীয়ে দেয় এবং বা দিক থেকে একটা ট্রাক এসে তাদের গাড়িতে ধাক্কা দেয় এবং তাদের খুবই বাজে ভাবে একসিডেন্ট হয় ** দীর্ঘ ১৮ মাস পর ছেলের স্মৃতি শক্তি ফিরে পায়। স্মৃতি ফেরার সাথে সাথে ছেলেটি মেয়েটির কথা জিজ্ঞেস করে ডাক্তার কে । ডাক্তার বলেন যে সেই দুর্ঘটনায় বা দিক থেকে আঘাত হয় আপনাদের গাড়িতে আর বা দিক এ বসা ছিল সেই মেয়েটি ।

ঘটনাস্থলেই মেয়েটি মারা যায় ।। ডাক্তার যখন এই কথা শেষ করে তখন ছেলেটির চোখ থেকে এক বিন্দু জল গড়িয়ে পড়ে আর সে বলে ” হয়নি বলা তোমায় আমি অনেক ভালবাসতাম তোমায় এখন কেন ছেড়ে গেলে আমায় ? ” _________ ।। মূল কথাঃ সবকিছু নিয়ে জেদ করা ঠিক না । অতিরিক্ত রাগ আর অতিরিক্ত জেদ এর কারোনে আপনি অনেক কিছু হারাতে পারেন ।

govt jobs circular priojob.com

সব সময় সকল চাকরির খবর পেতে অ্যাপস ডাউনলোড করুন

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here