আমি যেদিকে দু চোখ যায় চলে যাচ্ছি

0
23

আমি যেদিকে দু চোখ যায় চলে যাচ্ছি। তারপর তুমি থেকো তোমার ইরা আপুকে আর তার বেবিকে নিয়ে। (আগের পর্বগুলো মিস করে থাকলে আমার আইডি থেকে পড়ে নিতে পারেন এবং আগামী পর্বগুলো মিস করতে না চাইলে বন্ধু হয়ে কানেক্টেড থাকতে পারেন।) তিশা দরজা খুলে শুভর শার্ট ধরে টেনে বিছানায় বসিয়ে দেয়। দিয়ে ধরামম করে দরজা আটকিয়ে দিয়ে ফ্লোরে ধপ করে বসে পরে।

তিশাঃ আমি জানি আপনি কি বলবেন। আমি আশুর কথা শুনেছি। আশার সাথে যেটা হয়েছে সেটা আমি ঠিক করতে পারবো না। কিন্তুু আশাকে সেভ করার জন্য ওর ভালোবাসার মানুষটা ওর সাথে আছে। ভালোবাসা দিয়ে সব জয় করা যায়। আকাশ ভাইয়া সব জানে ওকে নিয়ে আপনার কোনো চিন্তা করতে হবে না। আকাশ ভাই সব সামলে নিবে । শুভঃ আমি আশার কথা বলছি না।

তিশাঃ ওহ্ তো কি বলবেন আপনার প্রেমিকা কে নিয়ে? আসলে আমার মধ্যে এতোটা ক্ষমতা নেই যে আপনার আর আপনার প্রেমিকার প্রেমলীলা শুনতে পারবো। বিশ্বাস করেন আমি বুঝতে পারিনি যে,,,,, শুভঃ তুমি ভুল বুঝছো তুমি,,,, তিশাঃ এখানে ভুল বোঝার কিচ্ছু নাই তো। আমি ভেবেছিলাম আপনাদের কাবিননামার পরে আমার আর আপনার ডিভোর্স দিয়ে হবে।

কিন্তুু না আমি কালকেই বিয়েটা হবে। আর ডিভোর্স টা আপনাদের বিয়ের আগেই হবে। আমি বাচ্চাটার সাথে বেঈমানি করতে পারবো না। তিশা কান্নায় ভেঙে পরে। শুভ বিছানা থেকে নেমে তিশার পাশে বসে তিশাকে বুকে জরীয়ে নিতে গেলে তিশা নিজেকে ছারিয়ে নেয় শুভর কাছ থেকে।। তিশাঃ আপনি আমাকে ব্যবহার করার চেষ্টা করেন না। শুভ রাগে তিশার দুবাহু টেনে নিজের কাছে টেনে আনে। শুভঃ অনেক বলেছো তুমি।

আর একটা কথা বললে খুব খারাপ হবে বলে দিচ্ছি। তুমি আমার কথাটা আগে বোঝার চেষ্টা করবে তো নাকি? আমার তিশা তো এতো অবুঝ ছিলো না। তোমার যা ইচ্ছা আমাকে নিয়ে করো।আমি আর কিছু বলতে আসবো না তোমাকে। , শুভ তিশাকে ঝটকা দিয়ে ছেরে দিয়ে দরজা ধরাম করে খুলে বাহিরে চলে যায়। তিশা চুপটি করে বসে থাকে।

কিছুক্ষন পরেই শুভ হুরমুর করে দরজা খুলে তিশাকে পাজাকোলা করে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে তিশার ওপর নিজের ভর ছেরে দেয়। তিশা কিছু বলতে যাবে তার আগেই শুভ তিশার ঠোঁট দুটো নিজের আয়ত্তে করে পাগলের মতো তিশাকে ভালোবাসার পরশে ভরিয়ে দিতে লাগে ।

তিশা শুভর বুকে হাত দিয়ে শুভকে বাধা দেবার চেষ্টা করলে শুভ তিশার হাত দুটোকে সরিয়ে তিশার পিঠের নিচে হাত দিয়ে তিশাকে টেনে শক্ত করে বুকের সাথে জরীয়ে নেয়।ক্রমশ ভালোবাসার পরশ গুলো তিশার পুরো শরীরে ছারিয়ে যেতে লাগে। শুভর হাতের স্পর্শের ভালোবাসা তিশার পুরো শরীর জুরে বয়ে যেতে লাগে ।

এর মধ্যে হঠাৎ করেই শুভ তিশাকে ছেরে তিশার থেকে উচু হয়ে পরে।কিন্তুু তিশার ওপর থেকে উঠে না। তিশার বন্ধ চোখ আর ভেজা ঠোট শুভকে আবার তিশার মধ্যে টেনে নিচ্ছে। শুভ তিশার ঠোটে আবার নিজেকে বিলিয়ে দেয়। খানিক বাদে শুভ তিশার থেকে নিজেকে ছারিয়ে নিয়ে তিশাকে টেনে আধোশোয়া করে বসিয়ে দেয়।তিশা এখনও চোখ বন্ধ করে আছে।

শুভ তিশার চোখে হালকা করে চুমু দিয়ে তিশার উন্মক্ত পেটে নিজের হাত টা রেখে দেয়। শুভঃ চোখ খুলো তিশু,,,,,,, তিশা চোখ খুলতেই চোখ বেয়ে কয়েকফোটা পানি গাল বেয়ে নিচে পরার আগেই শুভ অন্য হাতের তালুতে পানির ফোটাগুলো ধরে নেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here