তুমি আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছো

0
22

তুমি আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছো? তিশাঃ হ্যা করছি। তো? শুভঃতিশু,,,,, তিশাঃ শুভ,,,,, আচ্ছা থাক দিতে হবে না। ( তিশা দারিয়ে) স্যার আমি বাহিরে যাবো,,, শুভঃ( ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে) কেনো? তিশাঃ সেটা আমার ব্যাপার আপনাকে বলবো কেনো স্যার ( খচ্চর কোথাকার) শুভঃ এখন কোথাও যাওয়া হবে না,,,, তিশাঃ হুহ,,,, তিশা এক প্রকার দৌড়েই বের হয়ে যায়,,, শুভঃ আরে……. তি……. শা উপস্,,,,।

শুভ তারাতারি পরিক্ষা নিয়ে বের হয়ে এসে দেখে তিশা রবিন স্যার এর সাথে কথা বলছে । শুভ ভ্রু কুচকে ওদের দিকে এগিয়ে যেতেই রবিন ওখান থেকে চলে আসে । শুভঃ তুমি কি বলছিলে ওর সাথে? তিশাঃ যাই বলি তোমার কি? আমি তো আর পর পুরুষের কোলে বসে নেই। আর বসে থাকলেই কি,,, শুভ তিশার হাত ধরে চট করে টেনে নিজের বুকের সাথে লাগিয়ে নেয়। শুভঃ আমি যে ঠিক কি সময় মতো বুঝতে পারবে। খবরদার নিজেকে কারো সাথে গুলিয়ে ফেলো না। তুমি আমার # বউ,,, ।

তিশাঃ হুম সো কল্ড #বউ,,,, ছারো আমায়,,,, তিশা শুভর থেকে সরে পিছে ঘুরতেই রাহাত এর সাথে ধাক্কা খেয়ে পরে যেতে নিলে রাহাত তিশাকে ধরার আগেই শুভ তিশাকে হেচকা টানে বুকের সাথে মিশিয়ে নেয়। রাহাত: তোমার কোথাও লাগেনি তো,,, তিশাঃ না আমি ঠিক আছি বলেই শুভর কাছ থেকে নিজেকে ছরাতে লাগে কিন্তুু শুভ তিশাকে ছারে না।তিশা রাগি চোখে শুভর দিকে তাকাতেই শুভ তিশাকে ছেরে দেয়। রবিনঃ আর ইউ ওকে? দেখে চলবে তো নাকি?

তিশাঃ হ্যাঁ হ্যাঁ একদম। ইরাঃ শুভ,তুমি কিছু না বলে চলে এলে যে।আমি তোমার জন্য কখন থেকে তোমার কেবিনে বসে আছি । তিশাঃ আচ্ছা তোমরা কথা বলো। তিশা একবার শুভর দিকে তাকিয়ে দৌড় দিয়ে যেতে লাগলেই মাঠের মধ্যে পা ধরে বসে পরে। শুভ এসে তিশাকে টেনে বসিয়ে পা ধরে টেনে দেখতে শুরু করে, শুভঃ কই লাগলো? এত্ত দৌড়াদৌড়ি কিসের বুঝিনা। এই মেয়ে এই তুমি জানোনা তুমি অসুস্থ? কোনো ভাবে তো হাঁটো। এভাবে দৌড়ালে কিছু হয়ে গেলে? তিশাঃ তো?

হয়ে গেলে যাবে। আমার কিছু হলে আপনার তো কিছু না। যান আপনার উডবির কাছে। ও অসুস্থ ওকে দেখুন, ছারুন আমায়। তিশা উঠে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে। শুভ কিছু বলে না। সোজা ইরার সামনে চলে যায়,,, ইরাঃ কি হলো বউ চলে গেলো? শুভঃ কি চাস তুই? তুই তো আমাকে ভালোবাসিস না সেটা আমি ভালো করে জানি।কেনো আমাদের জীবন নষ্ট করছিস? একটা কথা জেনে রাখ, তুই যতই চেষ্টা করিস না কেনো আমি তিশাকে ছারবো না,আর তিশাও আমাকে ছারবে না।

ইরা; আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি শুভ, তুমি আমাকে একটা বার বিশ্বাস করে দেখো। আমি তোমাকে ঠকাবো না।ভালোবাসার নামে ঠকাচ্ছে তো ওই মেয়েটা তোমায়। লুক শুভ,,,, শুভঃ যাকে নিশানা করে তুমি এ কাজ করছো না। সে নিজেই যা করার করবে । তোমাকে কিচ্ছু করতে হবে না,আর আমাকে ও,,,,, , রাতে তিশা সোফায় বসেটিভি দেখছিলো।তখনই ইরা তিশার পাশে বসে।

শুভ ও এসে বসে তিশার পাশে। তিশাঃ কি মতলব তোমাদের? এভাবে আমাকে ঘিরে বসলে কেনো? শুভর মাঃ তোর শুনে কাজ নেই,এসে খেয়ে ওষুধ খেয়ে নে। দুপুরে খাস নি। ওষুধ খেতে হবে। তিশাঃ আমাকে নিয়ে এতো চিন্তা করো কেনো মামুনি। দুদিন পরে চলে গেলে কাকে নিয়ে করবে এতো চিন্তা,, হুম?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here